Showing posts with label সাক্ষাৎকার. Show all posts
Showing posts with label সাক্ষাৎকার. Show all posts
Sunday, November 18, 2012
বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করব : হোমায়রা হিমু
ঢালিউড ইনফোটেইনমেইন্ট:: এটিএন বাংলায় আজ রাতে প্রচারিত হবে নাটক পকেট আছে টাকা নাই। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন হোমায়রা হিমু। কথা হলো তাঁর সঙ্গে।
ইদানীং ঘন ঘন বিদেশ সফর করছেন কেন?
নাটকের কাজ থাকলে বিদেশে যাই। কিন্তু ঘন ঘন বিদেশ যাচ্ছি, তা ঠিক নয়। সর্বশেষ নেপালে গিয়েছিলাম উই আর ফ্রেন্ডস নামের একটি ধারাবাহিকের শুটিংয়ে। তা-ও তো অনেক দিন হয়ে গেল। আর বিদেশে গিয়ে শুটিং করতে ভালো লাগে না।
পকেট আছে টাকা নাই’ নাটকটি প্রসঙ্গে কিছু বলুন।
খুব মজার গল্প। নাটকটির কিছু অংশের শুটিং করেছিলাম তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ী বস্তিতে। একটি দৃশ্যে আমি আর সিদ্দিক ঝগড়া করছি। আশপাশের অনেকেই তা বাস্তব বলে মনে করেছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিড় জমে যায়। আরেকটি দৃশ্যে মিথ্যা বলার অপরাধে সিদ্দিককে মার দিই। তারপর ব্যথার জায়গায় মলম লাগানোর কথা বলে মরিচের গুঁড়া দিই। যখন সে চিৎকার দেয়, তখন আরও মার দিই। এই নাটকে আমাদের সঙ্গে আরও আছেন আ খ ম হাসান আর আলভী।
আপনি তো দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
হ্যাঁ, আমার বন্ধু রাশেদ ছবির কথা অনেক দিন মনে থাকবে। আর এক কাপ চা ছবিতে অতিথি শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছি। এখন বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করব।
বিয়ে করছেন কবে?
ভেবেছিলাম ১১.১১.১১ তারিখে বিয়ে করব। পারিনি। এরপর ভাবলাম ১২.১২.১২ তারিখে করব। এবারও হবে না। এরপর আর বিয়ে নিয়ে কিছু ভাবছি না। আমার মা আছেন, তিনিই ভাবছেন। আমি শুধু কাজ করছি।
Monday, November 12, 2012
বিয়ে মেয়েদের জীবনের লক্ষ্য হতে পারে না- বললেন পপি
|
এ কথা শুনে একটু হাসলেন এ অভিনেত্রী। প্রশ্নের জবাব দিলেন এভাবে ‘দেখুন বিয়ে একটা মেয়ের জীবনের আলটিমেট টার্গেট হতে পারে না। আমি এটা মানি না। একজন মেয়ের জীবনে অনেক কিছু করার আছে। আমি যেমন এখন কাজটাই করতে চাই। আজ থেকে ৪০ বা ৫০ বছর পরেও যেন মানুষ আমাকে মনে রাখে সে কাজটি করতে চাই। বিয়েটা আমার কাছে এত জরুরি বিষয় না’।
| সাদিকা পারভিন পপি |
অভিনয়টাকেই এখন প্রধান করে দেখছেন পপি। ঘর সংসার বিয়ে এগুলো বিষয় নিয়ে আরো পরে ভাবতে চান। তিনি মনে করেন এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবার আরো সময় আছে। তাই তিনি এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন শুটিং নিয়ে।
তিনি বলেন ‘আমার অনেক সিনিয়র শিল্পী রয়েছেন যারা এখনো বিয়ে করেননি। তাই না? সময় তো চলে যাচ্ছে না।’
বর্তমানে তিনি ‘মন খুঁজে বন্ধন’, ‘শর্ট কার্টে বড়লোক’, ‘পৌষ মাসের পিরিতি’, ‘জীবন যন্ত্রনা’সহ আরো বেশ কিছু ছবির শুটিং এবং ডাবিং এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।
শুধু সিনেমা নয় টেলিভিশন নাটক ও টেলিছবিতেও দেখা মিলে তার। এ মাসেই নতুন একটি টেলিছবির শুটিং করতে যাচ্ছেন তিনি। টেলিভিশন নাটক ও টেলিছবিতে চলচ্চিত্রের শিল্পীদের অভিনয় করাটাকে অনেকেই সহজভাবে দেখেন না। কেউ কেউ মনে করেন ফিল্মে যে শিল্পীদের চাহিদা থাকে না তারাই জীবন চালানোর জন্য নাটক বা টেলিছবিতে অভিনয় করেন। কিন্তু এ বিষয়টা মেনে নিতে পারেন না পপি।
| সাদিকা পারভিন পপি |
তিনি বলেন ‘আমি একজন শিল্পী সব ধরনের কাজের প্রতিই আমার সম্মান আছে। একটা ভালো গল্প আর চরিত্র পেলে আমি কেন কাজ করবো না। আর টেলিভিশন ও হলের দর্শক এক না। দু’জায়গার দর্শকের জন্যই আমি কাজ করতে চাই। আর আমার যদি চাহিদা না থাকতো তাহলে এতগুলো সিনেমা আমার হাতে থাকতো না। এসব কথা শুধুই কথা আর কিছু না। এগুলো নিয়ে আমি ভাবি না। কাজটা করে যাই মন দিয়ে।’
নায়ক সংকট রয়েছে আমাদের ফিল্ম পাড়ায়। শাকিব খান এবং অনন্ত বর্তমানে নায়ক হিসেবে আলোচনায় আছেন। কিন্তু দুজনকে নিয়েই সমালোচনার কমতি নেই। দর্শক এ দুজনকে সহজভাবে নিচ্ছেন না। তাদের সর্ম্পকে আপনার মুল্যায়ন কি?
পপি এবার কিছুটা কৌশলি হলেন। তিনি বলেন ‘আমাদের এখানে নানা ধরনের সংকট রয়েছে। ভালো স্ক্রীপ্ট রাইটার নেই। ভালো নির্মাতা নেই। ভালো ক্যামেরা, লাইট, ম্যাকআপ আর্টিস্ট নেই, ভালো এডিটর নেই। আরো সংকট রয়েছে। এতকিছুর পরেও তারা কাজ করে যাচ্ছেন ভালো করছেন। আরো ভালো করতে পারেন। আমার কাছে মনে হয় এখানে ভালো সিনেমা বানানোর প্রতিযোগিতা হওয়া দরকার। কিন্তু সেটা হচ্ছে না।’
তিন বারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এ অভিনেত্রী তার নতুন চলচ্চিত্রগুলো দিয়ে নতুন চমক নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন দর্শকের সামনে। দর্শকের মনে নতুন করে জায়গা করে নিতে পারবেন বলে তিনি আশা করছেন।
Sunday, November 4, 2012
বোরকা পরে ঘুরতাম : 'মেহেরজান' খ্যাত শায়না আমিন
ঢালিউড ইনফোটেইনমেইন্ট:: 'মেহেরজান'
ছবিটি রাতারাতি বিখ্যাত করে তোলে শায়না আমিনকে। মাঠে আড্ডায় বসলেই ছবি
তুলতে আসে মেয়েরা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন জয়ন্ত সাহা, ছবি তুলেছেন কাকলী
প্রধান
কোথায় পড়ছেন?লালমাটিয়া মহিলা কলেজে ব্যবস্থাপনা প্রথম বর্ষে। ভর্তি হয়েছি গত বছর।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মানেই তো সেশন জট। এটা জেনেও ভর্তি হলেন কেন?
ইচ্ছা ছিল প্রাইভেটে পড়ব। কিন্তু তখন মিডিয়ায় কাজ শুরু করে দিয়েছি। প্রাইভেটে পড়াশোনার অনেক চাপ। মিডিয়া, পড়াশোনা দুটো একসঙ্গে চালাতে পারতাম না। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ব। বন্ধুরা সবাই লালমাটিয়ারই ফরম তুলেছিল। সাতপাঁচ না ভেবে গত বছর এ কলেজেই ভর্তি হয়ে গেলাম।
ক্যাম্পাস লাইফের প্রথম দিনটি কেমন ছিল?
প্রথম দিন দুটি ক্লাস ছিল। প্রথম ক্লাসেই স্যার জানিয়ে দিলেন, 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনেক বড়। ফাঁকিবাজি চলবে না।' ক্লাস শেষে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিলাম কলেজের মাঠে।
'মেহেরজান'-এর শুটিংয়ের সময় ক্লাস করতে পেরেছিলেন?
ভর্তির পর পরই মেহেরজানের শুটিং শুরু হয়। শুটিংয়ের ব্যস্ততায় ক্লাস করা সম্ভব ছিল না। তাই পুরো এক বছর ক্যাম্পাসে যাইনি। এখন আবার নিয়মিত ক্লাস করছি।
'মেহেরজান' মুক্তির পর ক্যাম্পাসে কী প্রতিক্রিয়া?
বন্ধুরা দল বেঁধে সিনেপ্লেক্সে গিয়ে সিনেমা দেখেছে। স্যাররাও অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। কিন্তু আমার কপালটাই খারাপ। সিনেমাটি তো আর চলছে না। খুব মন খারাপ করে ক্যাম্পাসে আসতাম। স্যার, বন্ধুরা সবাই ছবি বন্ধের ব্যাপারে হতাশ।
তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনাটা কেমন?
স্যাররা ক্লাসে দাঁড় করিয়ে অভিনয়ের টিপস দেন। মাঠে আড্ডায় বসলেই মেয়েরা ছবি তুলতে আসে। মজার ব্যাপার কী, আমার সঙ্গে যে কথা হয়েছে সেটাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে ভিডিও করে নিয়ে যায়।
স্কুলবেলা কোথায়, কেমন কেটেছে?
আমি পড়তাম লালমাটিয়া গার্লস হাই স্কুলে। এখান থেকেই এসএসসি সিনিয়রদের সঙ্গে ছিল গলায় গলায় ভাব। একটু বড় হওয়ার পর ক্লাসমেটদের সঙ্গে প্রায়ই হাতাহাতি হতো। কত দিন যে আহত হয়ে বাসায় ফিরেছি! কলেজ ছিল মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি কলেজ।
অভিনয়ের শুরু তো স্কুলেই!অভিনয়ের শুরু সপ্তম শ্রেণীতে। বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সুকুমার রায়ের 'অবাক জলপান' নাটিকায় ঝুড়িওয়ালার চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। এ ছাড়া স্কুলের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে ইভেন্টে সাজসজ্জা, ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ছিল আমার ওপর। হামদ-নাতে অংশ নিয়েছি। নাচ শিখেছি 'নৃত্যাঙ্গন একাডেমী'তে।
ক্লাস পালিয়েছেন কখনো?
সায়েন্সের ছাত্রী ছিলাম। বিষয়গুলো এত নীরস লাগত যে ক্লাস পালিয়ে বসুন্ধরা সিটি, রাইফেলস স্কয়ার, নিউ মার্কেটে ঘুরতাম। ধরা পড়ার ভয়ে বন্ধুর বোরকা পরে বের হতাম।
স্কুলজীবনেই তো মিডিয়ায় কাজ শুরু করেছিলেন?
ক্লাস টেনে পড়ার সময় সানসিল্ক শ্যাম্পুর অ্যাড করি। অ্যাডের একটা ডায়ালগ ছিল 'তিন দু গুণে পাঁচ'। ডায়ালগটা নিয়ে বন্ধুরা জ্বালিয়ে মারত। অঙ্কে এমনিতেই একটু কাঁচা ছিলাম তার ওপর এই বিজ্ঞাপন! তবে বন্ধু, স্যার সবাই বিজ্ঞাপনটির প্রশংসা করেছিলেন।
ক্যারিয়ার নিয়ে কী ভাবছেন?
ম্যানেজমেন্টেই ক্যারিয়ার গড়ব। বিবিএ পড়া শেষ করে করপোরেট হাউসে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে কাজ করার ইচ্ছা আছে।
::.ঢালিউড ইনফোটেইনমেইন্ট
Subscribe to:
Posts (Atom)
